মেনু নির্বাচন করুন
খবর

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী লিটন এখন ভিক্ষুক মুক্ত নড়াইল জেলার পুনর্বাসন কর্মসূচির রোল মডেল

নড়াইল থেকে যশোর চলে গেছে মহাসড়ক। নড়াইল হাতির বাগান বাসস্ট্যান্ডে,বাসে বাসে ভিক্ষা করতেন জন্মান্ধ লিটন।সারাদিন ভিক্ষা করে যা পেতেন তা দিয়ে কষ্টে চলতো চার জনের সংসার। ভিক্ষাবৃত্তি থেকে লিটনকে পুনর্বাসিত করতে প্রথমেই নড়াইল জেলা প্রশাসনের সহায়তায় তার নামে সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করা হয়।জেলা সমাজসেবা কার্যালয়,নড়াইল হতে ২ (দুই) বছর আগে ২০০০/-(দুই হাজার ) টাকা নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করেন এবং ২ টি ছাগল বাবদ ৫০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান করা হয়।গত বছর লিটনকে আবারও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়,নড়াইল হতে ২টি ছাগল বাবদ ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান করা হয়।এছাড়াও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক নড়াইল সদর,নড়াইল লিটন কে সদস্য করা হয় কালুখালী সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমিতিতে সমিতি থেকে লিটকে ৫০০০/- টাকা ঋন প্রদান করা হয়।লিটন এখন বাদাম চানাচুরের প্যাকেট কিনে এনে বিক্রি করেন নতুন বাস টার্মিনালে। সবাই তার পণ্য কেনে। প্রতিদিন ২৫০-৩০০ টাকা লাভ হয়।লিটনের তদারকি Kg©KZ©v হিসাবে নিযুক্ত করা হয় একটি বাড়ি একটি খামার  ওপল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মাঠ সহকারীকে। প্রতি সপ্তাহে একবার লিটনের সাথে দেখা করে খবর নেন মাঠ সহকারী। লিটন  এখন স্বাবলম্বী। তার দুই ছেলে। বড় ছেলে এবার মাইজপাড়া ডিগ্রি কলেজে  এইচে এস সি  পরীক্ষা দিবে। লেখা পড়ায় ছেলেটা খুব ভালো। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তার ছেলেটাকে কলেজে বিনা বেতনে পড়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। আর ছোট ছেলে এবার গ্রামের স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। ভিক্ষাবৃত্তি থেকে সম্মানজনক পেশায় cÖZ¨veZ©‡bi উজ্জল উদাহরন লিটন।

ছবি


ফাইল


প্রকাশনের তারিখ

২০১৯-০৪-২৪

আর্কাইভ তারিখ

২০২০-০৭-০৯


Share with :

Facebook Twitter